যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময় – Jiliive অ্যাপ দিয়ে লাইভ বেটিং করুন, অডস দেখুন, ডিপোজিট করুন এবং উইথড্র করুন। দ্রুত, নিরাপদ এবং সম্পূর্ণ বাংলায়।
Android ও iOS উভয় প্ল্যাটফর্মেই Jiliive অ্যাপ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
Android 6.0 বা তার উপরের যেকোনো ডিভাইসে চলে। APK ফাইল সরাসরি ডাউনলোড করুন, মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ইনস্টল হয়ে যাবে।
iPhone ও iPad-এ অনায়াসে চলে। iOS 13 বা তার উপরের ডিভাইসে ইনস্টল করুন এবং সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।
অ্যাপ ইনস্টল না করেও মোবাইল ব্রাউজারে Jiliive-এর সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেন। Chrome বা Safari থেকে সরাসরি ব্যবহার করুন।
Jiliive অ্যাপ ইনস্টল করা খুব সহজ। মাত্র কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই মিনিটের মধ্যে শুরু করতে পারবেন।
ওয়েবসাইটের সব সুবিধা এবং তার চেয়েও বেশি কিছু।
ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইমে অডস দেখুন এবং বেট ধরুন। অডস প্রতি সেকেন্ডে আপডেট হয়।
ম্যাচ শুরু, বোনাস অফার এবং ফলাফলের জন্য তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পান।
bKash, Nagad, Rocket দিয়ে এক ক্লিকে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। অ্যাপেই সব হয়।
আঙুলের ছাপ বা Face ID দিয়ে নিরাপদে লগইন করুন। পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হবে না।
আপনার সব বেটের ইতিহাস, জয়-পরাজয়ের হিসাব এবং পরিসংখ্যান এক জায়গায় দেখুন।
রাতে চোখের আরামের জন্য ডার্ক মোড চালু করুন। ব্যাটারি সাশ্রয়ও হয়।
কম ডেটা বা দুর্বল সংযোগেও অ্যাপ মসৃণভাবে চলে। গ্রামাঞ্চলেও সমস্যা নেই।
সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস। যারা ইংরেজিতে অস্বস্তি বোধ করেন, তাদের জন্যও সমান সহজ।
অ্যাপ থেকেই লাইভ চ্যাটে কথা বলুন। ২৪/৭ বাংলা ভাষায় সাহায্য পাবেন।
অনেকেই জিজ্ঞেস করেন – ব্রাউজার থেকেই তো কাজ হয়, তাহলে অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার কী? উত্তরটা সহজ – Jiliive অ্যাপে কিছু সুবিধা আছে যা ব্রাউজারে পাওয়া যায় না।
প্রথমত, অ্যাপ থেকে ডিপোজিট করলে অতিরিক্ত ৫% বোনাস পাওয়া যায়। এটা প্রতিটি ডিপোজিটে প্রযোজ্য, কোনো সীমা নেই। দ্বিতীয়ত, পুশ নোটিফিকেশনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বা অফার মিস হয় না।
এছাড়া অ্যাপের ইন্টারফেস মোবাইলের জন্যই তৈরি করা, তাই ব্রাউজারের চেয়ে অনেক দ্রুত লোড হয় এবং ব্যবহার করাও সহজ লাগে।
| সংস্করণ | Android 6.0+ |
| ফাইল সাইজ | 42 MB |
| র্যাম | ন্যূনতম 2GB |
| স্টোরেজ | 100MB ফাঁকা |
| আপডেট | স্বয়ংক্রিয় |
| ইনস্টল উৎস | APK সরাসরি |
| সংস্করণ | iOS 13.0+ |
| ফাইল সাইজ | 58 MB |
| ডিভাইস | iPhone, iPad |
| স্টোরেজ | 120MB ফাঁকা |
| আপডেট | App Store |
| ভাষা | বাংলা, English |
দুটোতেই পুরো সুবিধা পাবেন। তবে কিছু ফিচার শুধু অ্যাপে আছে। নিচের তালিকাটা দেখলে পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন।
| ফিচার | অ্যাপ | ওয়েবসাইট |
|---|---|---|
| লাইভ বেটিং | ||
| পুশ নোটিফিকেশন | ||
| বায়োমেট্রিক লগইন | ||
| অতিরিক্ত ৫% বোনাস | ||
| অফলাইন ইতিহাস | ||
| ডার্ক মোড | ||
| দ্রুত লোডিং |
বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন কোটির উপরে। বেশিরভাগ মানুষ ফোন দিয়েই ব্রাউজিং, শপিং আর বিনোদনের কাজ সারেন। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই Jiliive তার মোবাইল অ্যাপটা তৈরি করেছে। এটা শুধু ওয়েবসাইটের একটা ছোট সংস্করণ নয়, বরং মোবাইল ব্যবহারকারীর কথা ভেবে আলাদাভাবে ডিজাইন করা একটা পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম।
অ্যাপটা প্রথমবার খুললে বোঝা যায় কতটা পরিচ্ছন্ন ইন্টারফেস। জটিল মেনু নেই, অপ্রয়োজনীয় অ্যানিমেশন নেই। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি – সব স্পোর্টস সামনেই থাকে। লাইভ ম্যাচগুলো আলাদাভাবে হাইলাইট করা থাকে, তাই বুঝতে সুবিধা হয় কোন ম্যাচ এখন চলছে।
লাইভ বেটিং অ্যাপে বিশেষভাবে ভালো কাজ করে। ওয়েবসাইটে মাঝে মাঝে রিফ্রেশ করতে হয়, কিন্তু অ্যাপে অডস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। ক্রিকেটের ওভার-বাই-ওভার অডস পরিবর্তন দেখতে পারা এবং সঠিক সময়ে বেট ধরা – এই কাজটা অ্যাপে অনেক সহজ।
পেমেন্টের দিক থেকে Jiliive অ্যাপ সত্যিই এগিয়ে আছে। bKash-এর মাধ্যমে ডিপোজিট করলে সাধারণত ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ব্যালেন্সে যোগ হয়ে যায়। উইথড্রয়ালও দ্রুত, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আসে। গভীর রাতেও এই সার্ভিস চালু থাকে।
নিরাপত্তার বিষয়টা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। Jiliive অ্যাপে SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়, তাই আপনার তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। বায়োমেট্রিক লগইনের সুবিধা থাকায় অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকিও কম।
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় নেটওয়ার্ক কভারেজ সমান নয়। চট্টগ্রাম বা সিলেটের পাহাড়ি এলাকায়, কিংবা গ্রামের ভিতরে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট ধীর হয়ে যায়। Jiliive অ্যাপ এই পরিস্থিতিতেও মোটামুটি ভালো কাজ করে। ডেটা লোড কমিয়ে অ্যাপ দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করে।
অ্যাপের ভাষার বিষয়টা উল্লেখযোগ্য। সম্পূর্ণ বাংলায় ব্যবহার করা যায়, কোনো কিছুর জন্য ইংরেজি জানতে হয় না। বেটিং টার্মিনোলজিগুলোও সহজ বাংলায় ব্যাখ্যা করা আছে, তাই নতুনরাও সহজে বুঝতে পারেন।
অ্যাপ থেকে প্রোমোশন দেখার সুবিধাটাও বেশ কাজের। নতুন অফার আসলে পুশ নোটিফিকেশন আসে, তাই কোনো বিশেষ অফার মিস হয় না। বিপিএল বা বিশ্বকাপের সময় এই বৈশিষ্ট্যটা বিশেষভাবে উপকারী।
সবমিলিয়ে Jiliive অ্যাপটা বাংলাদেশি বেটরদের কথা মাথায় রেখে তৈরি – স্থানীয় পেমেন্ট সিস্টেম, বাংলা ভাষা, দুর্বল নেটওয়ার্কে কার্যকারিতা এবং সহজ ইন্টারফেস। যারা এখনো শুধু ব্রাউজার ব্যবহার করছেন, তারা একবার অ্যাপটা ব্যবহার করে দেখুন – পার্থক্যটা নিজেই বুঝতে পারবেন।
Jiliive অ্যাপ ব্যবহার করেছেন এমন কিছু মানুষের অভিজ্ঞতা।
Jiliive অ্যাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো।